সুদানের বর্তমান অবস্থা

Current situation in Sudan যদি আপনি সুদানের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে আপনাকে বলতে হবে যে, বর্তমান সময়ে সুদানে রাজনৈতিক অস্তিরতা বিরাজ করছে। এছাড়াও সামরিক সরকার কর্তৃক চ্যালেঞ্জ এর ফলে সুদানের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব সংকটাপন্নের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

যার কারণে অনেকেই মনে করছে যে, সুদানের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে। কারণ, এই দেশের মধ্যে যদি সংঘর্ষ বন্ধ না হয় আর রাজনৈতিক কোনো সমাধান না করা হয়। তাহলে সুদানের মধ্যে অস্থিতিশীলতা কমার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাবেনা। 

আরো পড়ুনঃ সুদানের টাকার নাম কি?

সুদানের বর্তমান অবস্থা কেমন? 

আপনি যদি সুদানের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে আমি আপনাকে বলবো যে, বর্তমান সময়ে সুদানের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। কারন, চলমান সময়ে সুদানের মধ্যে থাকা সামরিক বাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। 

আর তাদের এই ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ের কারণে সুদানের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব খারাপের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে সুদানের মধ্যে যদি এমন ভয়াবহতা বিরাজ করে। তাহলে দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা একবারে ভেঙ্গে পড়বে। 

আরো পড়ুনঃ দক্ষিণ সুদানের আয়তন কত?

সুদানের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার কারণ কি?

যদিওবা বর্তমান সময়ে সুদানের মধ্যে থাকা সামরিক বাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তুু আপনি যদি সুদানের আগের দিন গুলোর কথা চিন্তা করে দেখেন। তাহলে লক্ষ্য করতে পারবেন যে, আগের দিন গুলোতে এই দুটো বাহিনী একে অপরের প্রতি যথেষ্ট বন্ধুসুলভ ছিলো। 

কেননা, সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য। এই দুটো দলের প্রধান একইসাথে কাজ করেছিলো। কিন্তুু সুদানের প্রেসিডেন্ট কে ক্ষমতা থেকে সরানোর পর আগামী সময়ে কিভাবে এই দেশকে পরিচালনা করা হবে। সেই বিষয়টি নিয়ে আধা সামরিক ও সামরিক বাহিনীর প্রধান এর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। 

আরো পড়ুনঃ দক্ষিণ সুদান ধর্ম সম্পর্কে জানুন 

সুদানে লড়াই সৃষ্টি হওয়ার কারণ কি ছিলো?

সত্যি বলতে যখন সুদানের মধ্যে আধা সামরিক বাহিনী ও সামরিক বাহিনী একসাথে কাজ করছিলো। তখন সেই দেশের মধ্যে দ্বন্দ শুরু হওয়ার কোনো ধরনের আশঙ্কা ছিলোনা। কিন্তুু যখন তারা সেই দেশের প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করে। তারপর তারা একে অপরের সাথে দ্বন্দে জড়িয়ে পড়ে। আর তাদের দ্বন্দের মধ্যে মূল কারণ ছিলো, আগামীতে সুদানকে কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটি নিয়ে। 

আর উক্ত কারণটির উপর নির্ভর করে সুদানে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। তবে এই সময়কে নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসার জন্য আরএসএফ বাহিনী তাদের সদস্যদের দেশের বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করে। কিন্তুু এই বিষয়টিকে ভালোভাবে নিতে পারেনি সুদানের সেনাবাহিনীরা। কেননা, তারা আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করাকে একটা হুমকি বলে মনে করেছিলো। 

তবে প্রাথমিক ভাবে তাদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করা হয়েছিলো। কিন্তুু সেই আলোচনায় কোনো সমাধান না আসার কারণে পরিস্থিতি উল্টো খারাপের দিকে যাচ্ছিলো। কেননা, পরবর্তী সময়ের মধ্যে তাদের মধ্যে লড়াই শুরু হয়ে যায়। কিন্তুু এই লড়াইয়ের মধ্যে কোন দল সবার আগে আক্রমন করেছে সেটি এখনও ষ্পষ্টভাবে জানা সম্ভব হয়নি। 

এছাড়াও সুদানের মধ্যে থাকা সশস্ত্র বাহিনী থেকে বলা হয়েছে। তারা যতক্ষন পর্যন্ত আরএসএফ বাহিনী কে ধ্বংস করতে পারবে না, ততোক্ষন পর্যন্ত তারা লড়াই করে যাবে। এছাড়াও তারা বর্তমানে আর কোনো ধরনের আলোচনা বা আপস করার সিন্ধান্তকে নাকচ করে দেওয়ার সিন্ধান্ত প্রকাশ করেছে। 

সুদানের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আমাদের কিছুকথা

যখন কোনো একটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়, তখন সেই দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙ্গে পড়বে এটাই স্বাভাবিক বিষয়। আর সুদানের মধ্যে যেহুতু দুই বাহিনী (সামরিক ও আধা সামরিক) এর মধ্যে দ্বন্দ শুরু হয়েছে। তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, যুদ্ধ বিরতি না দিলে এই দেশটি সংকটাপন্ন অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাবে।

তাই বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মহল থেকে তাদের যুদ্ধ বিরতি দেওয়ার জন্য আহবান করা হয়েছে। আর আপনি যদি সুদানের বর্তমান পরিস্থিতির সকল আপডেট তথ্য গুলো বিনামূল্যে পেতে চান। তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করবেন। ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *